কাদের আর নিক্সন বিরোধ

কাদের আর নিক্সন সোস্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়। প্রথম বারের মতো নোয়াখালীতে ইভিএম পদ্ধতিতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় ১০ হাজার ৭৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাই আবদুল কাদের মির্জা। ৯টি কেন্দ্র থেকে’ প্রাপ্ত ভোটে আ.’লীগ ‘প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা পেয়েছেন ১০ হাজার ৭৩৮ ভোট, বিএনপি প্রার্থী কামাল উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ১৭৩৮ ভোট ও জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্রপ্রার্থী মাওলানা মোশারফ হোসেন পেয়েছেন ১৪৫১ ভোট। বসুরহাট পৌরসভায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এর মাঝেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা আসে নিক্সন চৌধুরী ও আবদুল কাদের মির্জা!

mirza and kader viral talk

 

গত রোববার ,১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় একটি অনুষ্ঠানে সংসদ মজিবুর রহমান চৌধুরী ওরফে নিক্সন নবনির্বাচিত আবদুল কাদের মির্জাকে পাগল আখ্যায়িত করে পাবনায় পাঠানোর কথা বলেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আবদুল কাদের মির্জা এসব কথা বলেন।

ফরিদপুর-৪ আসনের সাংসদ মুজিবর রহমান চৌধুরী ওরফে নিক্সন চৌধুরী পাগল বলার পর নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে টোকাই মেয়র বলে আখ্যায়িত করলেন । তাছাড়া সাংসদদের নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ায় তাঁর বিচার সব সংসদ সদস্যরা করবেন বলে উল্লেখ করেছেন নিক্সন চৌধুরী।এদিকে ফরিদপুর-৪ আসনের সাংসদ মজিবুর রহ’মান চৌধুরী এলোমেলো কথাবার্তা বলে’ন বলে দাবি করেছেন নোয়াখালীর বসুরহাট পৌর’সভার নবনির্বাচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তিনি বলেছেন, আমাদের গণধোলাই দিতে পারলে দিক।

 

সাংসদ নিক্সন চৌধুরীর বক্তব্যের বিষয়ে কাদের মির্জা গণ্মাধ্যমে প্রকাশ করে বলেন, কত বড় ঔদ্ধত্য সে দেখায়! ১৬ তারিখের নির্বাচনে মানুষ ৭৭ শতাংশ ভোট দিয়ে তাদের জবাব দিয়ে দিছে। নিক্সন চৌধুরী জবাবও মানুষ দিয়ে দিবে। এই ছেলের বিষয়ে আমি আর কী মন্তব্য করব! তিনি বলেন, সে তো দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। জাফরউল্ল্যাহ সাহেবের মতো ভালো লোকের বিরুদ্ধে ভোট করেছে এবং অনিয়ম করে ভোটে জিতেছে।

নবনির্বাচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, বঙ্গবন্ধুর বোন ফাতেমা বেগমের নাতি নিক্সন চৌধুরী

নিক্সন চৌধুরী এসি ল্যান্ডকে গালি দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে ইউএনও। এখন হাইকোর্টে জামিনে আছে। এই ছেলে এলোমেলো কথাবার্তা বলে, তাকে কী জন্য যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঢুকানো হয়েছে, আমি জানি না। তিনি শেখ সেলিম এবং চিফ হুইপ লিটন চৌধুরীকে উরপে নূর ই আলম চৌধুরী বলেছেন, ভাই !একে সামলান !

বৃহত্তর ফরিদপুরে বঙ্গবন্ধুর এলাকা  বরাবর’ই আওয়ামী’ লীগের শক্ত অবস্থান, ফরিদপুর-৪ আসন থেকেও বরাবরই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাই জিতে আসছেন। সাম্প্রতিককালে ১৯৯১ সালেই নৌকার বাইরে কেউ জিতেছিলেন। ওই নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী জেতেন ইউসুফ আলী চৌধুরী মোহন মিয়ার ছেলে চৌধুরী আকমল ইবনে ইউসুফ। এরপর থেকে আসটি আবার আওয়ামী লীগের।আওয়ামী লীগের একচেটিয়া আধিপত্যের মধ্যে জাফর উল্যাহ ২০০৮ সালে নির্বাচন করতে না পারায় তার স্ত্রী নিলুফার জাফর হন এমপি।তারপর ই আবির্ভাব ঘটে মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনের বা নিক্সন চৌধুরী। বঙ্গবন্ধুর বোন ফাতেমা বেগমের নাতি তিনি। নিক্সনের বাবা ছিলেন মাদারীপুরের শিবচরের সংসদ সদস্য। তার ভাই নূরে আলম চৌধুরী (লিটন চৌধুরী) এখন ওই আসনের এমপি।

 

এদিকে নোয়াখালী বসুরহাট ৯টি কেন্দ্র থেকে’ প্রাপ্ত ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা পেয়েছেন ১০ হাজার ৭৩৮ ভোট, বিএনপি প্রার্থী কামাল উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ১৭৩৮ ভোট ও জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্রপ্রার্থী মাওলানা মোশারফ হোসেন পেয়েছেন ১৪৫১ ভোট। বসুরহাট পৌরসভায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এর মাঝেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসে নিক্সন চৌধুরী ও আবদুল কাদের মির্জা!প্রচারণার মাঠে নিজের বিভিন্ন মন্তব্যের জন্য আলোচিত ছিলেন কাদের মির্জা। নিজের দল আওয়ামী লীগ এবং দলটির মন্ত্রী, এমপি ও বিভিন্ন নেতার বিরুদ্ধে সমালোচনা করে তুমুল আলোচনায় আসেন।কাউন্সিলর পদে ২৫ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে সাতজনসহ মোট ৩৫ জন প্রার্থী একে অন্যের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

অন্যান্য লিখাসমুহ যা আপনি জানেন না বা জানলে অবাক হবেনঃ

রূপচর্চার জন্য দারুণ কার্যকর লেবুর ফেসপ্যাক

একইসাথে রূপচর্চা রেসিপি ও রোগনিরাময়তে সেরা দুই সবজি কি আজই জেনে নিন

পালং শাক এর রূপচর্চার সাথে পুষ্টি গুনাবলি আজই জেনে নিন

চোখের পাপড়ি ঘন আকর্ষণীয় করা সহজ ঘরোয়া পদ্ধতি আসুন জেনে নেই

থানকুনি পাতায় রয়েছে সারাজীবন যৌবন ধরে রাখার বিশেষ ক্ষমতা

গ্রিন টি প্রস্তুত খাওয়ার উপযুক্ত সময় নিয়ম ও দৈনিক জীবনের সুবিধাদি

ফিট থাকতে গ্রিন টির সুবিধা অসুবিধা 

স্বাস্থ্যকর মুলা শাক রেসিপি ও অন্যান্য গুনাগুন

মাছ দিয়ে লাল শাক রান্না Mach Dia Lal Shak Recipi

উদয় সিং Dance Dewane নাচ সবাইকে হতবাক করে অশ্রুসিক্ত হন মাধুরী দীক্ষিত সহ অন্যান্য বিচারক